বাংলা হান্ট ডেস্কঃ জনতার ক্ষোভের আগুনে নিভে গেল তৃণমূল। ঘাসফুলের ১৫ বছর পর পদ্ম শিবিরে (BJP) যাচ্ছে বাংলা। এবার ফের সেই পুরনো প্রশ্ন আবার সামনে আসছে। বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? সম্প্রতি ভোটের মধ্যে এই ইস্যুতে বড় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ঠিক কী বলেছিলেন তিনি?
কে হচ্ছেন বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? BJP
একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেছিলেন, বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী এমন একজন হবেন, যিনি এই রাজ্যেরই মানুষ। তিনি বাংলাতেই জন্মেছেন, বাংলা মাধ্যমেই পড়াশোনা করেছেন এবং বাংলা ভাষাতেই কথা বলেন। তাঁর এই কথার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়ে যায় যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে কোন মুখকে সামনে আনতে চলেছে?
সম্ভাব্য মুখ হিসেবে চারটি নাম সামনে উঠে আসছে তাঁরা হলেন, শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্য, উৎপল ব্রহ্মচারী, স্বপন দাশগুপ্ত। এর মধ্যে এক নম্বরে রয়েছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকেই লড়ে জয় ছিনিয়ে আনা, ভবানীপুরে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বড় ব্যবধানে হারিয়ে এই দৌড়ে সবথেকে এগিয়ে তিনি।
রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য শক্তিশালী দাবিদার। সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষমতা রাখেন তিনি। রাজ্য সভাপতি হিসেবে ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি কর্মীদের আদি ও নব্যের মেলবন্ধন ঘটাতে তার কৃতিত্বও অনেকটাই বলে মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

আরও পড়ুন: ‘স্বাস্থ্য দপ্তরের দুর্নীতি কতটা গভীরে..’ জয়ী হয়ে মেয়ের বিচারের আশায় পানিহাটির রত্না দেবনাথ
এই দৌড়ে রয়েছেন কালিয়াগঞ্জ থেকে বড় ব্যবধানে জয়ী হওয়া উৎপল ব্রহ্মচারী, যিনি ‘উৎপল মহারাজ’ নামেও পরিচিত। তুলনামূলকভাবে নতুন তবে আরএসএস ও সংগঠনের শক্ত পরিচিতি তার। আবার চর্চায় স্বপন দাশগুপ্তও। বুদ্ধিজীবী ভাবমূর্তি রয়েছে তার। জাতীয় স্তরের অভিজ্ঞতার নিরিখেও তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী ৯ মে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর জন্মবার্ষিকীতে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারে বিজেপি।













